আর্কাইভ
ads
logo

চাঁদপুরে ৬৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৮ এ.এম
চাঁদপুরে ৬৪২ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক

ছবি : সংগৃহীত

ads
চাঁদপুর জেলার আটটি উপজেলায় প্রাথমিকে প্রশাসনিক ও শিক্ষাদান কার্যক্রমে তীব্র স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। জেলার মোট এক হাজার একশত ছাপ্পান্নটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠানে কোনো স্থায়ী প্রধান শিক্ষক নেই। দীর্ঘদিন ধরে ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলায় এসব প্রতিষ্ঠান কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জেলার শত শত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের ঘাটতি থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক স্বাভাবিক প্রশাসনিক কাজ ও পড়াশোনার গতি বজায় রাখতে চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। আইনি জটিলতায় ষোলোটি স্কুলের পদ সংরক্ষিত থাকায় বর্তমানে মূলত ছয়শত ঊনত্রিশটি প্রতিষ্ঠানে সরাসরি প্রধান শিক্ষকের পদ খালি রয়েছে। এসব স্থানে সহকারী শিক্ষকরাই মূল দায়িত্বের পাশাপাশি বাড়তি প্রশাসনিক ভার সামলাচ্ছেন।

শিক্ষার্থী ও স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, একজন সহকারী শিক্ষককে দাপ্তরিক কাজের পেছনে বিপুল সময় ব্যয় করতে হওয়ায় তিনি শ্রেণি কার্যক্রমে কাঙ্ক্ষিত মনোযোগ দিতে পারছেন না। ফলে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পাঠদান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে শিক্ষার্থীদের সার্বিক ফলাফলে। শিক্ষা ব্যবস্থার এই অচলাবস্থা দূর করতে দ্রুত স্থায়ী নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

অনুরূপ সুর ফুটে উঠেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কণ্ঠেও। প্রশাসনিক ঝামেলার কারণে নির্ধারিত ক্লাসগুলোতে পুরোপুরি সময় দেওয়া সম্ভব হয় না বলে স্বীকার করছেন ভারপ্রাপ্তের দায়িত্বে থাকা শিক্ষকরা। তাঁদের মতে, এতে মানসম্মত প্রাতিথমিক শিক্ষার যে লক্ষ্য, তা ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত স্থায়ী নিয়োগ সম্পন্ন হলে পড়াশোনার মান আরও উন্নত হবে বলে তাঁরা মনে করেন।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতার তালিকা তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন। আগামী তিন মাসের মধ্যে শূন্য থাকা এসব পদে নিয়োগ বা পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রাতিষ্ঠানিক সংকট কাটানো সম্ভব হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ