মঙ্গলবার, 20 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কি ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার দাবি করে তেহরানকে অবস্থান পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল কি ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে?

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ইরানকে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করে দেওয়ার দাবি করে তেহরানকে অবস্থান পরিবর্তনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে নতুন করে সামরিক হামলার পরিকল্পনা করছে কি না, তা নিয়ে আলোচনা জোরালো হয়েছে।

গত রোববার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহুর প্রতি পূর্ণ সমর্থন ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তিনি নেতানিয়াহুকে ‘মহান যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ এবং শান্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের ভাষ্য, ইসরাইলে নেতানিয়াহু ছাড়া অন্য কেউ ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেরাই সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব নিতে হবে, যা তিনি করতে চান না।

ট্রাম্প বলেন, প্রবল বিরোধিতার মধ্যেও নেতানিয়াহু শক্তিশালী ও সাহসী নেতৃত্ব দিয়েছেন। ইসরাইলের ভেতর থেকেও বিরোধিতার মুখে পড়লেও তিনি ভেঙে না পড়ে আরও শক্তিশালী হয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতানিয়াহুর প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইসরাইলকে হতাশ করবেন না।

আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে নির্বাচন হওয়ার কথা। দেশটির সংবাদমাধ্যম হারেৎজের আসন পূর্বাভাস অনুযায়ী, রোববার পর্যন্ত গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট সর্বোচ্চ ৫২টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের আসনসংখ্যা ১২০ সদস্যের নেসেটে ৫১টিতে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ, কোনো জোটেরই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য সমর্থন এসেছে এমন এক সময়ে, যখন এর আগে তিনি ইসরাইলের নির্বাচনে সরাসরি কোনো প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিতে চাননি। চলতি মাসের শুরুতে টাইম সাময়িকী নেতানিয়াহুর আরেক মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা উচিত কি না, তা জানতে চাইলে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর দেননি। বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে নিজের জনপ্রিয়তা এবং ইসরাইলকে মার্কিন সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।

গত বৃহস্পতিবার মার্কিন ডানপন্থি সংবাদমাধ্যম নিউজম্যাক্সের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ইসরাইলের মানুষ তাকে চায়। তবে নেতানিয়াহুকে বিশ্বাস করেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সত্যি বলতে তিনি কাউকেই বিশ্বাস করেন না।

যুক্তরাজ্যের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান চ্যাথাম হাউসের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিয়া কর্মসূচির পরিচালক সানাম ভাকিল মনে করেন, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। দুই নেতার মধ্যে কয়েক মাস ধরে টানাপোড়েন চলার পর এই ঘোষণা এসেছে। তার মতে, এর ফলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতানিয়াহু যে অপরিহার্য, সেই দাবি আরও জোরালো করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে নির্বাচনে এই সমর্থনের প্রভাব অতিরঞ্জিত না করার পরামর্শ দিয়েছেন ভাকিল। তার মতে, নেতানিয়াহুর নেতৃত্ব ও ইরান যুদ্ধের ফলাফল নিয়ে ইসরাইলি ভোটারদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ট্রাম্পের সমর্থন নেতানিয়াহুর বিদ্যমান সমর্থকদের আরও ঐক্যবদ্ধ করতে পারে, কিন্তু তার শাসনামল ঘিরে থাকা বিতর্কগুলোর সমাধান করবে না।

লন্ডনের কিংস কলেজের স্কুল অব সিকিউরিটি স্টাডিজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক আন্দ্রেয়াস ক্রিগও ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে নেতানিয়াহুর জন্য রাজনৈতিক উপহার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচনী প্রচারে চাপে থাকা নেতানিয়াহুর জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও নির্বাচনের ফল পাল্টে দেওয়ার মতো প্রভাব নাও ফেলতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

ক্রিগের মতে, ডানপন্থি দলগুলোর বিভক্তি, অতি-গোঁড়া ইহুদি ভোটারদের অসন্তোষ এবং ৭ অক্টোবরের ঘটনার উত্তরাধিকার নেতানিয়াহুকে চাপে রেখেছে। ট্রাম্পের সমর্থন লিকুদ পার্টির অনাগ্রহী ভোটারদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা কাছাকাছি হলে এক বা দুটি আসন বাড়তে পারে, কিন্তু এর মাধ্যমে নেতানিয়াহুর অনুপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

ইরান যুদ্ধের সঙ্গে ট্রাম্পের সমর্থনের সম্পর্ক কী?

নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ইরান যুদ্ধ। বিশ্লেষকদের একাংশের ধারণা, আগামী নভেম্বরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে অথবা পরে ইরানে নতুন করে হামলার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন ট্রাম্প।

গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানজুড়ে হামলার মধ্য দিয়ে সংঘাতের সূচনা হয়। বর্তমানে যুদ্ধ কার্যত স্থবির অবস্থায় রয়েছে। সংঘাত শুরুর পর ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো।

এর জবাবে ইরানি জাহাজের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন জাহাজে দুই পক্ষই হামলা চালায়। উভয় পক্ষের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলো তাদের নির্দেশনা মানেনি।

গত মাসে মার্কিন নৌবাহিনী আরও বেশি তেলবাহী ট্যাংকারকে নিরাপত্তা দিয়ে পারাপারের সুযোগ করে দিলে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন যুদ্ধ-পূর্ববর্তী পর্যায়ে ফিরে আসে। তবে চলতি মাসের শুরুতে ইরানের ধারাবাহিক হামলার কারণে এই প্রণালি দিয়ে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি আবারও ব্যাহত হয়।

সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহের চুক্তির দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৫৭ ডলারে দাঁড়ায়। এর আগে শুক্রবার দাম সাময়িকভাবে ১১০ ডলারে পৌঁছেছিল, যা গত ১৯ মে-এর পর সর্বোচ্চ।

গত মাসে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দিয়েছিল ইরান। তবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও মার্কিন নৌ অবরোধের অবসানসহ তেহরানের দেওয়া সাতটি শর্তের বিষয়ে ওয়াশিংটন সাড়া না দেওয়ায় আলোচনা ব্যর্থ হয়।

রোববার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রস্তাবটি এখনো বহাল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত মেনে নিলে ছয় দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া সম্ভব। এর পরদিনই আলোচনা আবার শুরু হতে পারে বলেও জানান তিনি।

তবে একই রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি অভিযোগ করেন, কারাগারে যাওয়া এড়াতে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে সঙ্গে নিয়ে ইরানে নতুন করে হামলা চালাতে চান।

আরাগচি লেখেন, আগেরবার ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি; বরং ইরান আরও শক্তিশালী হয়ে বেরিয়ে এসেছে। আবারও সংঘাতের পথে এগোলে তেহরানও নিজেদের অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে প্রস্তুত থাকবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, কারাগারে যাওয়া এড়াতে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে আরেকটি যুদ্ধে জড়াতে চাইছেন। এতে ইসরাইলের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের পরিণতি কী হতে পারে, সে বিষয়েও নেতানিয়াহু গুরুত্ব দিচ্ছেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আন্দ্রেয়াস ক্রিগের মতে, নেতানিয়াহুর প্রতি সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্প মূলত চাপ প্রয়োগের কৌশলগত সুবিধা কাজে লাগাতে চাইছেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে তিনি কূটনীতির পরিবর্তে যুদ্ধকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

ক্রিগ বলেন, নৌ অবরোধ ইরানকে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং ওয়াশিংটন মনে করছে, সময় তাদের পক্ষে রয়েছে। ট্রাম্পের হিসাব হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রকে বড় ধরনের ছাড় না দিয়েই একপর্যায়ে ইরান পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে ছাড় দিতে এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে রাজি হবে।

তার মতে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন এই কৌশলের পেছনে সামরিক হুমকিকে আরও জোরালো করেছে। তবে কূটনীতির পথ এখনো বন্ধ হয়ে যায়নি। ট্রাম্প এমন একটি চুক্তি চান, যেটিকে তিনি নিজের বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারবেন।

তবে ক্রিগ সতর্ক করেছেন, তেহরান যদি মনে করে দর-কষাকষিতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার জন্য সংঘাত বাড়ানো প্রয়োজন, তাহলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

এরপর কী হতে পারে?

সানাম ভাকিলের মতে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে রাজনৈতিক সমন্বয় আরও জোরদার হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে দুই দেশের যৌথ সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উন্মুক্ত রাখে।

এই ঘোষণার পর ট্রাম্পের পক্ষে যুদ্ধ থেকে নিজেকে দূরে রাখার দাবি করা কিংবা যুক্তরাষ্ট্র অনিচ্ছা সত্ত্বেও সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছে—এমন অবস্থান নেওয়া কঠিন হতে পারে।

ভাকিলের ভাষ্য, ট্রাম্প স্পষ্টভাবেই ইসরাইলের সঙ্গে অংশীদারত্ব এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের দায় নিজের কাঁধে নিচ্ছেন। তবে এই সমর্থন থেকে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না যে দুই নেতা নতুন সামরিক অভিযান চালাতে সম্মত হয়েছেন। যুদ্ধ শুরুর ক্ষেত্রে কে বেশি চাপ দিয়েছিলেন, সেই প্রশ্নেরও এখনো মীমাংসা হয়নি।

তিনি আরও মনে করেন, ট্রাম্পের বক্তব্য তেহরানের নেতাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্য প্রায় একই—এমন ধারণাকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। অন্যদিকে, নেতানিয়াহু ছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে ট্রাম্পের অনীহার ইঙ্গিত থেকে তেহরান বুঝতে পারে, নতুন যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে ওয়াশিংটনের আগ্রহেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

ট্রাম্প এর আগে বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তিনি ইরানে হামলা চালাবেন না। তবে কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগেই ইরানে নতুন করে হামলা শুরুর পরিকল্পনা তৈরি করেছে পেন্টাগন।

গত সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানায়, দুই দেশের নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের নতুন সামরিক অভিযান চালানোর বিষয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে আলোচনা হয়েছে।

ক্রিগের মতে, ইরানের পক্ষ থেকে এমন কোনো হামলা না হলে, যার জবাব দিতে যুক্তরাষ্ট্র বাধ্য হয়, সে ক্ষেত্রে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের নতুন করে হামলা চালানোর সম্ভাবনা এখনো কম।

তিনি বলেন, ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তখন নির্বাচনী বাধ্যবাধকতা থাকবে না এবং দুই দেশের সামরিক বাহিনীও সম্ভাব্য পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ক্রিগের মতে, তাৎক্ষণিকভাবে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো হরমুজ প্রণালিতে এমন কোনো সংঘাত, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এর ফলে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু রাজনৈতিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্র সামরিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হতে পারে।