শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

২৪-এর পরাজিত শক্তিই ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি: প্রতিমন্ত্রী অমিত

পঁচাত্তর এবং চব্বিশের গণজাগরণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ জনতা এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার অলিখিত ও অদৃশ্য বিভেদরেখা মুছে যায়।

২৪-এর পরাজিত শক্তিই ৭ নভেম্বরের পরাজিত শক্তি: প্রতিমন্ত্রী অমিত
সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, চব্বিশের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে যারা পরাজিত হয়েছে, তারাই মূলত পঁচাত্তরের সাতই নভেম্বরের পরাস্ত গোষ্ঠী। তিনি মন্তব্য করেন, যখনই সাধারণ নাগরিক ও সেনাবাহিনীর চিন্তাধারা এক মোহনায় এসে মিলেছে, ঠিক তখনই শেখ হাসিনার পতন অবধারিত হয়ে ওঠে।

শনিবার বেলা এগারোটার দিকে যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস' উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তিনি এই মত প্রকাশ করেন।

পঁচাত্তর এবং চব্বিশের গণজাগরণের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ক্রান্তিলগ্নে সাধারণ জনতা এবং সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার অলিখিত ও অদৃশ্য বিভেদরেখা মুছে যায়। তার মতে, রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও অখণ্ডতা রক্ষার প্রশ্নে এদেশের মানুষ এবং সামরিক বাহিনী যুগ যুগ ধরে যুগোপযোগী ও সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।

সামরিক বাহিনীর কাঠামোগত শৃঙ্খলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি স্পষ্ট করেন যে, ঊর্ধ্বতন কোনো কর্মকর্তা যদি দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হন এবং গণমানুষের আকাঙ্ক্ষাকে অনুধাবন করতে ব্যর্থ হন, তবে অধস্তনরাও তার বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানান। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থান এবং ঐতিহাসিক সাতই নভেম্বরের আদর্শকে বুকে ধারণ করে একতাবদ্ধভাবে একটি নতুন রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।

যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই তাৎপর্যপূর্ণ আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আসন গ্রহণ করেন জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম ও জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন। এছাড়াও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নুরুজ্জামান, স্থানীয় চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মিজানুর রহমান খান এবং যশোর প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন।