এই সাফল্যের পথে মাহিমা ধাপে ধাপে নিজের প্রতিভার পরিচয় দিয়েছে। ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করার পর সে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত মঞ্চে লড়ার যোগ্যতা অর্জন করে। সেখানেও নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখে অনন্য এই ট্রফি নিজের নামে করে নেয়। প্রতিযোগিতা সমাপনীর জমকালো অনুষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাত বিজয়ী মাহিমার হাতে মর্যাদাপূর্ণ এই পুরস্কার তুলে দেন।
পারিবারিক আবহে বেড়ে ওঠা মাহিমার এই অর্জনের পেছনে রয়েছে গভীর অনুপ্রেরণা। সে কুলাউড়া উপজেলার প্রতাবী গ্রামের ব্যবসায়ী মো. তৈমুল ইসলাম এবং করেরগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হালেমা আক্তারের কন্যা। বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, মাহিমার মা হালেমা আক্তার নিজেও বিগত বছরে মৌলভীবাজার জেলার শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছিলেন। মায়ের ধারাবাহিকতায় মেয়ের এই জাতীয় স্বীকৃতি তাদের পারিবারিক মেধারই অনন্য এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।
কুলাউড়ার এই খুদে শিক্ষার্থীর ঐতিহাসিক বিজয়ের খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর থেকেই বিদ্যালয়, পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকে তাকে শুভকামনা জানাচ্ছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মনে করেন, মাহিমার এই অনন্য সাধারণ কৃতিত্ব সমগ্র মৌলভীবাজার জেলার জন্য এক বিশাল গৌরব বয়ে এনেছে, যা অঞ্চলের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পড়াশোনা ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে আরও বড় স্বপ্ন দেখতে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করবে।