বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনায় অ্যাটর্নি জেনারেল মালদ্বীপে বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমশক্তির কাজের পরিধি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব তুলে ধরেন।

অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের দপ্তরে মঙ্গলবার এক সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হন ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার মিসেস শিউ রশিদ।

এই আলাপচারিতায় উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থ, বিরাজমান আইনি সহায়তা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাব্য যেকোনো আইনি জটিলতা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে সমাধানের রূপরেখা নিয়ে গভীরভাবে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি উভয় রাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে আন্তরিকতা প্রকাশ করেন।

বৈঠকের এক ফাঁকে মালদ্বীপের এই শীর্ষ কূটনীতিক অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইন্টার্নশিপ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। সেখানে তিনি নিজের দেশের বিচার ও আইন ব্যবস্থা, গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রসঙ্গ এবং হাইকমিশনার হিসেবে নিজের প্রাত্যহিক দায়িত্বগুলোর ওপর আলোকপাত করেন। এ সময় তিনি শিক্ষানবিশদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার জবাব দেওয়ার মাধ্যমে নিজের পেশাদারি অভিজ্ঞতা তাদের সাথে ভাগ করে নেন।

পরবর্তীতে বাংলাদেশের বিচারিক কার্যক্রম স্বচক্ষে দেখার উদ্দেশ্যে তিনি আদালত প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখেন। এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেলের উপস্থিতিতে তিনি অন্তত দুটি বিচারকক্ষের চলমান কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। দেশের বিচারব্যবস্থার সামগ্রিক প্রক্রিয়া ও এর স্বচ্ছতা নিয়ে হাইকমিশনার অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব ও সন্তুষ্টি তুলে ধরেন।

দ্বিপক্ষীয় এই আলোচনায় অ্যাটর্নি জেনারেল মালদ্বীপে বাংলাদেশের দক্ষ শ্রমশক্তির কাজের পরিধি বাড়ানোর একটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর জবাবে হাইকমিশনার অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক প্রতিক্রিয়া দেখান এবং আগামীতে বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি সংখ্যক দক্ষ কর্মী নিয়োগে তার দেশের সরকারের আগ্রহের কথা নিশ্চিত করেন। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই বৈঠকে মালদ্বীপ দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ছাড়াও বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নুরে আলম সিদ্দিকী। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, আজকের এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনীতি, আইনি অংশীদারিত্ব এবং শ্রমবাজার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।