বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রাঙ্গণে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী জানান, রংপুরের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডটি সমগ্র জাতিকে গভীরভাবে শোকাহত করেছে। অল্প সময়ের ব্যবধানে এই অপরাধীদের চিহ্নিত করা না গেলে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে পড়ত। এই ধরনের অপরাধের মূলোৎপাটনে পূর্ণাঙ্গ কারণ অনুসন্ধানের জন্য তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন।
দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতি জোর দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, অন্যায়ের সঙ্গে যুক্ত সকলকেই আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনতে হবে। বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়ন প্রয়োজন। দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে সব অপরাধীকে বিচারে সোপর্দ করা সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
মাদকবিরোধী তৎপরতা জোরদারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের ভূখণ্ডে যেকোনো মূল্যে মাদকের বিস্তার বন্ধ করা জরুরি। মাদকের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা যাতে কোনোভাবে ছাড় না পায়, তা নিশ্চিত করাই সর্বসাধারণের মূল দাবি।
ধর্মীয় দিনটির গুরুত্ব স্মরণ করে তিনি ব্যক্ত করেন, ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবনদর্শন মেনে চললে কল্যাণ নিশ্চিত হবে। এতে করে দেশে ন্যায়ভিত্তিক শাসনব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।
তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় সর্বস্তরে দায়িত্বশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা প্রতিদিন জনগণ, গণমাধ্যম এবং মাঠপর্যায়ের মানুষের কাছে নিজেদের কাজের ব্যাখ্যা দিতে বাধ্য থাকছেন।