রবিবার, 8 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন ডাচেস অব এডিনবরা সোফি

যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও বহুমাত্রিক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের অন্যতম সদস্য ডাচেস অব এডিনবরা সোফি।

তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে আসছেন ডাচেস অব এডিনবরা সোফি
যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও বহুমাত্রিক অংশীদারিত্বকে আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আগামী সপ্তাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে ঢাকা আসছেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের অন্যতম সদস্য ডাচেস অব এডিনবরা সোফি।

রাজা তৃতীয় চার্লসের কনিষ্ঠ ভ্রাতা প্রিন্স এডওয়ার্ডের সহধর্মিণী আগামী ৯ থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করবেন বলে বাকিংহাম প্যালেস থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তার এই তিন দিনের সফরে নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা, সার্বিক কল্যাণ এবং ক্ষমতায়নের বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রাজধানী ঢাকায় পদার্পণের পর ব্রিটিশ রাজপরিবারের এই সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি। উক্ত অভ্যর্থনা আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।

সফরকালে ডাচেস সোফি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস সাপোর্ট অপারেশন ট্রেনিং বা বিপসট পরিদর্শনে যাবেন। সেখানে তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের গৌরবময় অবদান সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণের তাৎপর্য নিয়ে মতবিনিময় করবেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিকেএসপিতে গিয়ে নারী হকি দলসহ প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ অ্যাথলেটদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। নারীদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচনে খেলাধুলা কতটা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, সেটিই এই পরিদর্শনের মূল উপজীব্য।

এছাড়া বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পঁচাত্তর বছর পূর্তি উপলক্ষে তরুণদের নিয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানেও যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষা, সংস্কৃতির আদান-প্রদান এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি জোরালো বার্তা দেবেন।

ঢাকায় নিজের যাবতীয় কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর ডাচেস সোফি সরাসরি ছুটে যাবেন উপকূলীয় জেলা কক্সবাজারে। সেখানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা উন্নয়নে কর্মরত বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থার মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম ঘুরে দেখবেন তিনি। বিশেষ করে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত নারী, শিশু এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য চলমান নানামুখী সহায়তা ও সেবামূলক কাজ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেবেন এই ব্রিটিশ রাজবধূ। একইসঙ্গে শরণার্থী শিবিরগুলোতে নারীদের নেতৃত্ব গঠন এবং যেকোনো সংকট মোকাবিলায় তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াগুলোও তিনি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।