রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে তেহরান কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবে—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে: ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া চূড়ান্ত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে তেহরান কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবে—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শেষ মুহূর্তে কোনো চুক্তি না হলে "আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতার পতন ঘটবে"।

ইরানি গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে দেশজুড়ে হামলার মাত্রা বাড়ে। এতে রেল ও সড়ক সেতু, একটি বিমানবন্দর এবং একটি পেট্রোকেমিক্যাল কারখানায় আঘাত হানে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ব্যাপক ক্ষতি হয়।

এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় ইরান ঘোষণা করেছে, তারা এখন থেকে উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর অবকাঠামোতে আঘাত হানতে আর বিরত থাকবে না। পাশাপাশি উপসাগরে একটি জাহাজ এবং মার্কিন সংশ্লিষ্ট সৌদি শিল্প স্থাপনাগুলোতে নতুন হামলার দাবি করেছে তেহরান।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ লিখেছেন, "আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে, যা আর কখনো ফিরে আসবে না। আমি চাই না এমনটা হোক, কিন্তু সম্ভবত তাই হবে,"।

এদিকে ইরানের এক ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পাঠানো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব তেহরান প্রত্যাখ্যান করেছে।

সূত্রটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি হামলা বন্ধ করে, পুনরায় আক্রমণ না করার নিশ্চয়তা দেয় এবং ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেয়—তবেই স্থায়ী শান্তি আলোচনায় যেতে রাজি হবে ইরান।

তাছাড়া ভবিষ্যতের যেকোনো সমঝোতায় হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতেই থাকতে হবে এবং ব্যবহৃত জাহাজগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়েছে তেহরান।

ট্রাম্প ইরানকে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল অবরোধ তুলে নেওয়ার জন্য ওয়াশিংটন সময় অনুযায়ী রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দিয়েছেন (GMT মধ্যরাত এবং তেহরানে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট)। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সময়সীমা না মানলে চার ঘণ্টার মধ্যেই ইরানের প্রতিটি সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেওয়া হবে।