এদিকে তেহরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর খবর অনুযায়ী, দেশটির দক্ষিণের বেশ কয়েকটি শহর এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির পার্শ্ববর্তী দ্বীপসমূহে মঙ্গলবারেও বড় ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
আমেরিকার এই আগ্রাসনের জবাবে ইরানের বিশেষায়িত সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস দাবি করেছে, তারা কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে মোতায়েন থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। এই পাল্টা হামলায় তেহরান মূলত চালকবিহীন ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যে ইরানকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে কোনঠাসা করতে দেশটির সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর পুনরায় কড়া নৌ অবরোধ আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। অন্যদিকে তেহরান তাদের অনমনীয় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করবে না। একই সঙ্গে তাদের কোনো জাতীয় স্থাপনায় আঘাত করা হলে এর জবাবে ইসরায়েলকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও সতর্কবার্তা দিয়েছে দেশটি।
এরই মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছেন। হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী পণ্যবাহী জাহাজগুলোর ওপর যে ২০ শতাংশ শুল্ক বসানোর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্র করেছিল, সেটি আর কার্যকর করা হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছেন তিনি।