সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বিশেষ কমিটিতে ‘জুলাই সুরক্ষা’ নিয়ে সবাই একমত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। বিশেষ করে ‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশের বিষয়ে কমিটির সকল সদস্য ঐকমত্যে পৌঁছেছেন এবং এগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে। বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।

বিশেষ কমিটিতে ‘জুলাই সুরক্ষা’ নিয়ে সবাই একমত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনার কাজ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। বিশেষ করে ‘জুলাই সুরক্ষা’ সংক্রান্ত চারটি অধ্যাদেশের বিষয়ে কমিটির সকল সদস্য ঐকমত্যে পৌঁছেছেন এবং এগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে। বুধবার বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, পর্যালোচনার সুবিধার্থে এই ১৩৩টি অধ্যাদেশকে তিনটি পৃথক ভাগে বিন্যস্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ভাগে থাকা অধ্যাদেশগুলো বর্তমান রূপেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে বিল হিসেবে সংসদে পাসের জন্য উত্থাপিত হবে। দ্বিতীয় ভাগে থাকা অধ্যাদেশগুলোতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও সংশোধনীর পর বিল আকারে আনা হবে। আর তৃতীয়ত, যেসব বিষয়ে কমিটির সদস্যরা একমত হতে পারবেন না, সেগুলো বর্তমান অধিবেশনে বাতিল বা ল্যাপস হয়ে যাবে এবং প্রয়োজনে পরবর্তী অধিবেশনে নতুন বিল হিসেবে উপস্থাপন করা হবে। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, আইনি জটিলতা এড়াতে সংসদীয় বিধি অনুযায়ী নতুন বিল পাসের আগেই পুরনো অধ্যাদেশগুলোর অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

অধ্যাদেশগুলো যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ এবং ‘সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা’—এই দুটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রতিটি বিল বিবেচনার সময় জনআকাঙ্ক্ষা ও সাংবিধানিক সুরক্ষা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ অধ্যাদেশের বিষয়ে আলোচনা সম্পন্ন হলেও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মানবাধিকার কমিশন আইনসহ বেশ কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ে আরও পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে তিনি জানান।

পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কমিটির সভাপতি আগামী ২৯ মার্চ রাত ৮টা ৩০ মিনিটে পরবর্তী সভার সময় নির্ধারণ করেছেন। ওইদিনের সান্ধ্যকালীন বৈঠকে বাকি থাকা বিষয়গুলোর চূড়ান্ত ফয়সালা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ওই সভার পরেই সুনির্দিষ্টভাবে কতগুলো অধ্যাদেশ চূড়ান্ত হয়েছে তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হবে। তবে জুলাই সুরক্ষা অধ্যাদেশ নিয়ে তিনি আবারও নিশ্চিত করেন যে, এটি গত বৈঠকেই সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে এবং এতে নতুন করে কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই।