নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার, তবে সবার আবেদনই যে অনুমোদন পাচ্ছে—তা নয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে সরকারি উদ্যোগে গানম্যান দেওয়া হয়েছে। একই সুবিধা পেয়েছেন মেহেরপুর-১ আসন থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ অরুণ।
রাজনৈতিক ব্যক্তিদের করা আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) এই তিনজনকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী দেওয়ার অনুমোদন দেয় সরকার। অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশ সদর দপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তবে সব আবেদনকারী এই সুবিধা পাননি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদের দেহরক্ষী পাওয়ার আবেদন নাকচ করেছে। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মুহাম্মদ শাখাওয়াত হোসাইন (হিরু)কেও গানম্যান দেওয়া হয়নি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, ঢালাওভাবে কাউকে অস্ত্রধারী দেহরক্ষী দেওয়া হবে না। নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও কয়েকজন রাজনীতিবিদকে দেহরক্ষী দেওয়ার অনুমোদন আসতে পারে। পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স সংক্রান্ত আবেদনগুলোর বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে অস্ত্রের লাইসেন্স ও গানম্যান চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রায় ২০ জন রাজনীতিবিদ আবেদন করেছিলেন। কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। এসব আবেদনের ওপর পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।