সোমবার বিকেলে সিদ্ধিরগঞ্জের একটি মিলনায়তনে নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আয়োজিত ‘জুলাই সনদ প্রয়োগ এবং আন্দোলন সংগ্রামভিত্তিক মতবিনিময় সভায়’ এ কথা বলেন তিনি। এতে জুলাই অভ্যুত্থানের বীর শহীদদের স্বজন ও আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা স্পষ্ট করে জানান, বিদ্যমান কাঠামোর কেবল রদবদল নয়, বরং সার্বিক প্রশাসনিক ও সামাজিক রূপান্তর চান তারা। কোনো ধরনের সংবিধান সংশোধনের চেয়ে গুণগত পরিবর্তন বা সংস্কারকেই তারা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। জুলাই সনদের পরিপূর্ণ প্রয়োগ ছাড়া সরকারকে কোনো প্রকার সুযোগ না দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই পরিবর্তনের পক্ষে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ রয়েছে, তাই প্রয়োজনবোধে রাজপথে নামতে পিছপা হবে না দলটি। এছাড়া পূর্ববর্তী নির্বাচন প্রক্রিয়ার অনিয়মের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি জানান, সাময়িক রাজনৈতিক স্বার্থে বিষয়টি মেনে নেওয়া হলেও ভবিষ্যতের অন্যায্য সিদ্ধান্ত আর বরদাশত করা হবে না।
উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর জামায়াতের প্রধান মো. আব্দুল জব্বার। তিনি তাঁর বক্তব্যে গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা বাঁচিয়ে রাখা এবং ক্ষতিগ্রস্থ পরিজন ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সুবিধা সুনিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে ওই সনদ বাস্তবায়নের ওপর জোর জোর দাবি জানান।
মহানগর সেক্রেটারি প্রকৌশলী মনোয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায় মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের শীর্ষ নেতৃত্বসহ স্থানীয় জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ এবং অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা।