শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

গণপরিবহনে ১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাবে : সড়কমন্ত্রী

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আগামী ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই। জ্বালানি মন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাওয়া আশ্বাসের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তেলের দাম না বাড়ায় গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ থাকবে না এবং জ্বালানি সংকটের অজুহাতে যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

গণপরিবহনে ১৫ মার্চ থেকে পর্যাপ্ত জ্বালানি পাবে : সড়কমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে আগামী ১৫ মার্চ থেকে গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কোনো সম্ভাবনা নেই। জ্বালানি মন্ত্রীর পক্ষ থেকে পাওয়া আশ্বাসের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তেলের দাম না বাড়ায় গণপরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ থাকবে না এবং জ্বালানি সংকটের অজুহাতে যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন ঘটবে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনযাত্রার প্রথম দিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। শেখ রবিউল আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী রেল যোগাযোগকে আধুনিক ও জনবান্ধব করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই দূর-দূরান্তে যাতায়াত করতে পারে। দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

ঈদযাত্রার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র দুই-তিন দিনের ব্যবধানে ঢাকা ছেড়ে প্রায় সোয়া কোটি থেকে দেড় কোটি মানুষ গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়। বিশ্বের খুব কম শহরেই এমন চিত্র দেখা যায়। বিপুল সংখ্যক এই মানুষের চাপ সামলানো বড় একটি চ্যালেঞ্জ হলেও সরকার তা সফলভাবে মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে। পরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে ইতিমধ্যে নতুন কোচ, বাস ও নৌযান যুক্ত করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বড় কোনো বিলম্ব এড়াতে অন্তত ৮৫ থেকে ৮৭টি লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিনের প্রয়োজন থাকলেও বর্তমানে ৭৮টি সচল রয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে আরও কয়েকটি ইঞ্জিন বহরে যুক্ত হলে শিডিউল পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রেলওয়ে পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নৌপুলিশ এবং আনসার সদস্যরা সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্টেশনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশেষ জ্যাকেট পরিহিত স্বেচ্ছাসেবীরা প্রতি ৪০০ মিটার অন্তর অবস্থান করছেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।