সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে প্রকাশিত এক বারতায় তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে আনেন।
উক্ত বার্তায় ট্রাম্প উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ মাত্রার সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল। তবে সম্ভাব্য একটি সমঝোতার খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক রাষ্ট্রসহ তেহরানের পক্ষ থেকে ওয়াশিংটনকে শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানানো হয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, প্রস্তাবিত চুক্তিটির মূল লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে পারমাণবিক ঝুঁকি সম্পূর্ণভাবে দূর করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হরমুজ প্রণালীকে সার্বিকভাবে উন্মুক্ত রাখা।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং একটি উন্নত ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের সুযোগ হিসেবেই তিনি এই সামরিক অভিযান স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর রাখার ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ে চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানো আবশ্যক। ট্রাম্প জানান, এই আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তেল আবিবও ওয়াশিংটনের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে।
বার্তার শেষভাগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে কালক্ষেপণ না করে সমঝোতা প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।
তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই বক্তব্যের সমর্থনে কিংবা বিপক্ষে তেহরান অথবা তেল আবিবের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।