বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

জলাবদ্ধতার জন্য চট্টগ্রামবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ

ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর ভয়াবহ জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগের ঘটনায় জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সমস্যা সমাধানে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন। বুধবার চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান পয়েন্ট অব অর্ডারে বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতার বিষয়টি উত্থাপন করলে প্রধানমন্ত্রী এর প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

জলাবদ্ধতার জন্য চট্টগ্রামবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ
ছবি : সংগৃহীত

ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর ভয়াবহ জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগের ঘটনায় জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সমস্যা সমাধানে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন। বুধবার চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান পয়েন্ট অব অর্ডারে বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতার বিষয়টি উত্থাপন করলে প্রধানমন্ত্রী এর প্রেক্ষিতে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতিবৃষ্টির ফলে চট্টগ্রাম শহরে বড় ধরনের জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এই অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ভোগের জন্য তিনি চট্টগ্রামবাসীর কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, গণমাধ্যমে চট্টগ্রামের প্লাবিত হওয়ার চিত্র তিনি নিজে দেখেছেন এবং মানুষের এই ভোগান্তি তাকে ব্যথিত করেছে। তিনি আরও যোগ করেন, এটি কেবল চট্টগ্রামের নয়, বরং রাজধানীর ঢাকা ও দেশের আরও অনেক জায়গার একটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা।

জলাবদ্ধতা নিরসনের স্থায়ী সমাধানের পথ বাতলে দিতে গিয়ে তারেক রহমান সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গৃহীত দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণের আধার তৈরি করেছিলেন, যা বন্যা ও জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর ছিল। বর্তমান সরকার পুনরায় সেই কর্মসূচি গ্রহণ করেছে এবং এর কাজও শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আক্ষেপ করে বলেন, সরকারি উদ্যোগ সত্ত্বেও জনসচেতনতার অভাবে ড্রেন ও নালাগুলো প্লাস্টিক, পলিথিন ও বোতলের বর্জ্যে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা শহরের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পরিষ্কার করার সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই নালাগুলো আবারও আবর্জনায় বন্ধ হয়ে যায়। তাই অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি জনগণের সচেতনতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

পরিবেশ রক্ষায় পলিথিন ও প্লাস্টিকের যত্রতত্র ব্যবহার বন্ধে জনমত তৈরির আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে পারলে এই সংকট অনেকাংশে কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এক্ষেত্রে সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে সংসদ সদস্যদের নৈতিক দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী।