শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে মাঠপর্যায়ে পুনরায় সেনাসদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রুখতে ৬ জেলায় সেনা মোতায়েন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি : সংগৃহীত

দেশের সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে মাঠপর্যায়ে পুনরায় সেনাসদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট কিছু গোপন সংবাদের ওপর ভিত্তি করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি এলাকায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্ট আইন কাঠামোর আওতায় এই বাহিনী মাঠপর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করবে।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেকটাই সন্তোষজনক। তবে সার্বিক পরিস্থিতির ওপর প্রশাসনের কড়া নজরদারি রয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজধানী ঢাকা, বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, গাজীপুর মহানগরীসহ নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও ফরিদপুর জেলায় চলতি মাসের ২২ তারিখ থেকে ৩০ তারিখ পর্যন্ত সেনাসদস্যরা সরাসরি দায়িত্ব পালন করবেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, সম্প্রতি একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের পক্ষ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসমাবেশ ও মিছিল করার মতো কিছু কর্মসূচি নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের আড়ালে জনসাধারণের জানমালের ক্ষতি এবং আইন অমান্যের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের নাশকতা বা উসকানিমূলক তৎপরতা যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্যই সাময়িকভাবে এই মাঠপর্যায়ের পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা নিয়ে থাকে। এর আগে দীর্ঘ সময় ধরে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনের পর চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সেনাসদস্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এই প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও, সাম্প্রতিক কিছু অতি সংবেদনশীল অঞ্চলের অস্থিতিশীলতা রোধে পুনরায় এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।