সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

নির্বাচনী প্রচারণার স্টাইল নিয়ে আব্দুল কাদেরের কড়া সমালোচনা

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণার ধরন ও ভাষা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা আব্দুল কাদের। দলটি ক্ষমতায় গেলে তাদের নির্ধারিত বিধিনিষেধের মধ্যেই সাধারণ মানুষকে ধর্ম পালন করতে হবে কি না, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নির্বাচনী প্রচারণার স্টাইল নিয়ে আব্দুল কাদেরের কড়া সমালোচনা
ছবিঃ সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রচারণার ধরন ও ভাষা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা আব্দুল কাদের। দলটি ক্ষমতায় গেলে তাদের নির্ধারিত বিধিনিষেধের মধ্যেই সাধারণ মানুষকে ধর্ম পালন করতে হবে কি না, এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে আব্দুল কাদের সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমানের একটি বক্তব্যের সূত্র ধরে এই প্রতিক্রিয়া জানান। ওই বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেছিলেন, ‘যারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবে না, তাদের আর কোরআনের মাহফিল শোনার কোনো দরকার নাই।’

এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে কাদের লিখেছেন, “ইসলাম ধর্ম কি জামায়াতে ইসলামী ইজারা নিয়ে নিছে? এক-দুজন বললে না হয় ব্যক্তির ভুল হিসেবে ধরে নিতাম; কিন্তু সবাই দেখি সেইম লাইনে কথা বলতেছে। এলার্মিং! আল্লাহ না করুক, দেখা গেল আগামী দিনে তাদের সেট করে দেওয়া বিধিনিষেধের মধ্যেই ধর্ম-ধর্মীয় অনুশাসন পালন করতে হবে!”

জামায়াতের এই রাজনৈতিক মনোভাবকে স্বাধীনতা-পূর্ব পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করেছেন আব্দুল কাদের। তিনি মন্তব্য করেন, জামায়াত নিজেদের বাইরে অন্য কাউকে ইসলামের প্রকৃত ধারক-বাহক এমনকি ‘সহিহ মুসলিম’ হিসেবেও গণ্য করতে চায় না। পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, “জামায়াত তাদের বাইরে আর কাউকে ইসলামের ধারক-বাহক ভাবেন না, হয়তো ঐরকম মুসলমানও ভাবেন না। তারাই সহীহ মুসলিম। যেমনটা পশ্চিম পাকিস্তানিরা ভাবতো।”

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা যখন তুঙ্গে, তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতার এমন বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতা নিয়ে তাঁর এই সতর্কবাণী সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।