শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

প্রবীণ নেত্রী খালেদা রাব্বানীকে দেখতে বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার সফরের ব্যস্ত কর্মসূচির মাঝেই বিএনপির প্রবীণ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা রাব্বানীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে তিনি মৌলভীবাজার শহরের শাহ্ মোস্তফা রোডে অবস্থিত খালেদা রাব্বানীর বাসভবনে যান।

প্রবীণ নেত্রী খালেদা রাব্বানীকে দেখতে বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজার সফরের ব্যস্ত কর্মসূচির মাঝেই বিএনপির প্রবীণ নেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য খালেদা রাব্বানীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে ‘ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ’ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে তিনি মৌলভীবাজার শহরের শাহ্ মোস্তফা রোডে অবস্থিত খালেদা রাব্বানীর বাসভবনে যান।

সাক্ষাৎকালে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধাকে কাছে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন খালেদা রাব্বানী। এ সময় তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানসহ নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন এবং পুরোনো ছবিও দেখান।

আবেগঘন ওই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান খালেদা রাব্বানীকে সন্তানের মতো স্নেহে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন এবং তাকে আশ্বস্ত করেন।

পরে প্রবীণ এই নেত্রীর সঙ্গে কিছুটা সময় কাটান প্রধানমন্ত্রী। তার চিকিৎসা ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

খালেদা রাব্বানী বিএনপির রাজনীতিতে একজন ত্যাগী ও প্রবীণ নেতা হিসেবে পরিচিত। তিনি দলটির কেন্দ্রীয় মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি একাধিকবার জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ২য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ সংসদে আসন-২৫ এবং ৮ম সংসদে আসন-১০ থেকে তিনি সংসদ সদস্য ছিলেন।

তারেক রহমানের এ সৌজন্য সাক্ষাতের সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মাহিদুর রহমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক মিজানুর রহমান মিজানসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।