ব্রিফিং চলাকালে এক প্রশ্নের উত্তরে জয়সোয়াল স্পষ্ট করেন, একটি বেসরকারি গণমাধ্যম সংস্থা ওই মতবিনিময় সভার আয়োজন করেছিল। এতে ভারত সরকারের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা ছিল না। একই সাথে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রচারিত যেকোনো ধরনের মন্তব্য বা বক্তব্যের পেছনেও দিল্লি প্রশাসনের কোনো সমর্থন কিংবা দায়ভার নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ক্ষমতাচ্যুত শীর্ষ নেত্রীর অডিও বা ভিডিও বার্তা প্রচারের ক্ষেত্রে আইনগত নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের নতুন প্রশাসন। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার সংক্রান্ত উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি সংবাদমাধ্যমগুলোকে আইনগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দিয়ে জানান, বিচারাঙ্গনের স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে যাতে শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য মিডিয়ায় তুলে ধরা না হয়। এই সিদ্ধান্ত অমান্য করে পূর্বামতি ছাড়া কিংবা যেকোনো প্রকারে উক্ত ভাষণ প্রচার করা হলে তা সরাসরি আদালতের আদেশ লঙ্ঘনের সমতুল্য হিসেবে গণ্য হবে।