আজ সোমবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফলের বিশদ তথ্য তুলে ধরেন শিক্ষা অভিভাবক ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ, কুমিল্লা বোর্ডে ৬৫ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং যশোর বোর্ডে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশ। এছাড়া চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫৯ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বরিশাল বোর্ডে ৬০ দশমিক ৩৫ শতাংশ, সিলেট বোর্ডে ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ, দিনাজপুর বোর্ডে ৫৮ দশমিক ০৫ শতাংশ ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ৫৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশে।
সম্মিলিত চালচিত্রে দেখা গেছে, ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং সর্বমোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী। পূর্ববর্তী বছর সার্বিক পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্ত প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন।
সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের সার্বিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশে, যা পূর্ববর্তী বছরের ৬৮ দশমিক ০৪ শতাংশের তুলনায় ৩ দশমিক ৯৯ শতাংশীয় পয়েন্ট কম।
চলতি বছর সর্বমোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী ফরম পূরণ সম্পন্ন করে, যার মধ্যে ছাত্রসংখ্যা ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রীসংখ্যা ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন।
মোট পরীক্ষার্থীর বিভাজনে দেখা যায়, ৯টি সাধারণ বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধিত ছিল।
সারাদেশের মোট ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রজুড়ে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে।


