প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্র বিভাগ থেকে এক বার্তায় জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলি বাহিনীকে ইরানের ওপর হামলা চালানোর কাজে নিজ দেশের সার্বভৌম সীমানা এবং অন্যান্য সুবিধা ব্যবহারের সুবিধা না দেওয়া আঞ্চলিক রাষ্ট্রগুলোর জন্য একটি আইনি, ধর্মীয় ও নৈতিক দায়বদ্ধতা।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যেকোনো ধরনের সামুদ্রিক অবরোধ ও ইরানের সামরিক কিংবা বেসামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে আক্রমণ পরিচালনা আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফলশ্রুতিতে আত্মরক্ষার আন্তর্জাতিক অধিকার প্রয়োগে তেহরান কোনো আপস করবে না।
এদিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
সামাজিক মাধ্যম টেলিগ্রামে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, তিনি মার্কিন সামরিক বাহিনীর যেকোনো অসৌজন্যমূলক ও ঝুঁকিপূর্ণ তৎপরতার বিষয়ে সজাগ করেছেন। পাশাপাশি ইরানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং নিরাপত্তা সুরক্ষায় যেকোনো সামরিক উসকানির কড়া জবাব দেওয়ার সক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির আবহেই একটি পাল্টা অবস্থান ব্যক্ত করেছে ইরাক সরকার। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিজেদের সীমানা ব্যবহার করে প্রতিবেশী কোনো রাষ্ট্রে হামলার প্রচেষ্টা চালানো হলে জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনী তা সর্বাত্মকভাবে প্রতিরোধ করবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামরিক দ্বন্দ্বে না গিয়ে অর্থনৈতিক ও আঞ্চলিক চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে যখন তেহরান কাজ করছে, তখনই প্রাক-উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি এই হুঁশিয়ারি সামনে এলো।