কাশ্মিরের শাকসগাম উপত্যকাকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করেছে চীন, যা নিয়ে ভারত ও চীনের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শাকসগাম উপত্যকায় চীনের অবকাঠামো নির্মাণকে কেন্দ্র করে এই বিবাদ তীব্র রূপ নিচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, শাকসগাম উপত্যকা চীনেরই নিজস্ব ভূখণ্ড এবং সেখানে অবকাঠামো নির্মাণ তাদের সার্বভৌম অধিকারের অন্তর্ভুক্ত। তিনি ভারতের বিরোধী আপত্তিকে সরাসরি অগ্রাহ্য করেছেন এবং ১৯৬৩ সালের চীন–পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী এই অঞ্চলটির সীমানা নির্ধারিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
এদিকে ভারত দীর্ঘদিন ধরে এই উপত্যকাকে তার অখণ্ড জম্মু ও কাশ্মীরের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং বিদেশি কোনো দেশের হস্তক্ষেপকে অনগ্রহণযোগ্য বলে জানায়। নয়াদিল্লি চীনের কোনো ভূখণ্ডীয় দাবিকে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার জানিয়ে এসেছে।
এই উত্তেজনা এমন এক সময় সৃষ্টি হলো যখন হিমালয়ের সীমান্ত এলাকায় দুদেশের মাঝে পূর্বেও বিরোধ এবং সামরিক সংঘর্ষের ইতিহাস রয়েছে। যদিও ২০২৪ সালে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর পর কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও শাকসগাম ও অন্যান্য সীমান্ত ইস্যুতে বিরোধ অব্যাহত আছে।
সংঘাতটি দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে, এবং বিশ্লেষকরা বলছেন এটি ভবিষ্যতে আরও রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা জটিলতার সংকেত দিতে পা
রে।