রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ভ্যান্সের নেতৃত্বে আবারও পাকিস্তান যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসনে নতুন দফার আলোচনার জন্য পুনরায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

ভ্যান্সের নেতৃত্বে আবারও পাকিস্তান যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল
ছবি : সংগৃহীত

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা নিরসনে নতুন দফার আলোচনার জন্য পুনরায় পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যাচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় এই প্রতিনিধিদলটি ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে প্রতিনিধিদল পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জেডি ভ্যান্সের এই দলে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারও থাকছেন। উল্লেখ্য, গত ১১ ও ১২ এপ্রিলে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার বৈঠকেও তারা উপস্থিত ছিলেন।

তবে জেডি ভ্যান্সের এই সফর নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। রোববার (১৯ এপ্রিল) এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তা ঝুঁকির আশঙ্কায় ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স পাকিস্তানে যাবেন না। তবে পরবর্তী সময়ে হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করে যে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী জেডি ভ্যান্সই এই আলোচনায় মার্কিন দলের নেতৃত্ব দেবেন।

অন্যদিকে, তেহরান এই আলোচনায় অংশ নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং আইআরআইবি-র খবর অনুযায়ী, তেহরান এই মুহূর্তে আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা করছে না। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ বজায় থাকলে তারা কোনো সংলাপে যোগ দেবে না। এছাড়া ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের মতো ‘অবাস্তব’ শর্তারোপ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে ইরান।

বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন একদিকে আলোচনার প্রস্তাব দিচ্ছে, অন্যদিকে তেহরানকে চুক্তি সই না করলে ইরানের অবকাঠামো ধ্বংস করার কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। আগামী বুধবার দুই দেশের মধ্যকার চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ায় এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে দুই পক্ষের অনড় অবস্থানের কারণে নতুন দফার এই বৈঠক সফল হওয়া নিয়ে কূটনৈতিক মহলে সংশয় রয়েছে।