আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসিকে ঘিরে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে বড় ধরনের আইনি ও আর্থিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে অন্তত আধা ঘণ্টা খেলার প্রতিশ্রুতি থাকলেও মেসি সেদিন মাঠে নামেননি। এর ফলে আয়োজক প্রতিষ্ঠানটি বিশাল অংকের আর্থিক লোকসানের শিকার হয়েছে বলে দাবি করেছে।
গত বছরের অক্টোবরে মিয়ামিভিত্তিক বাণিজ্যিক সংস্থা ভিআইডি এবং আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে ভেনেজুয়েলা ও পুয়ের্তো রিকোর বিপক্ষে দুটি প্রদর্শনী ম্যাচ আয়োজনের বিষয়ে প্রায় ৭০ লাখ ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির একটি বিশেষ শর্ত ছিল যে, যদি কোনো গুরুতর চোট না থাকে তবে লিওনেল মেসিকে প্রতিটি ম্যাচে কমপক্ষে ৩০ মিনিট সময় মাঠে থাকতে হবে। তবে হার্ড রক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে সেই ম্যাচে মেসিকে গ্যালারিতে বসে থাকতে দেখা গেলেও একবারের জন্যও তিনি খেলার জন্য মাঠে নামেননি।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান প্রোটার কোম্পানির পক্ষ থেকে এই অভিযোগটি আরও গুরুতর রূপ নিয়েছে মেসির পরবর্তী দিনের কর্মকাণ্ডে। দেখা গেছে, ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে জাতীয় দলের হয়ে না খেললেও ঠিক তার পরের দিনই ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে আটালান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচে অংশ নেন এই ফরোয়ার্ড।
ভিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মেসির পরের দিন ক্লাব ফুটবলে অংশগ্রহণ করাই প্রমাণ করে যে তিনি শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। তাদের মতে, কেবল অবহেলা অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করার কারণেই তিনি আগের দিনের প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেননি, যা শেষ পর্যন্ত আয়োজকদের বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছে।







