চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশের বর্তমান বৈদেশিক ঋণের মোট স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭৮.০৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদের ১৮তম কার্যদিবসের প্রশ্নোত্তর পর্বে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রাষ্ট্রীয় এই ঋণের হিসাব তুলে ধরেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার এক লিখিত প্রশ্নের প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রী সংসদকে জানান যে, বৈদেশিক ঋণের এই বিশাল অংকটি মূলত গত ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের হিসাব। তিনি ব্যাখ্যা করেন, সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ বা ইআরডি এই ঋণ ব্যবস্থাপনার কাজ পরিচালনা করে থাকে। প্রতি বছরের শুরুতে বৈদেশিক ঋণের আসল এবং সুদের কিস্তি মেটাতে কত ব্যয় হতে পারে, তার একটি সুনির্দিষ্ট গাণিতিক প্রক্ষেপণ তৈরি করা হয়। সেই অনুযায়ী বার্ষিক বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ রাখা হয় এবং সারা বছর জুড়ে নির্ধারিত পরিশোধ সূচি মেনেই পাওনাদারদের অর্থ বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান সরকারের আমলে ঋণ পরিশোধের অগ্রগতি সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে অর্থমন্ত্রী আরও জানান যে, দায়ভার গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত সফলভাবে ৯০.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমপরিমাণ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে। বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমেই এই ঋণ পরিশোধের প্রক্রিয়াটি সুশৃঙ্খলভাবে অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।







