মঙ্গলবার, 27 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী

সুশাসন সুসংহত করার পাশাপাশি দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই সরকারের লক্ষ্য: আইনমন্ত্রী

সুশাসন সুসংহত করার পাশাপাশি দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল উদ্দেশ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

ডিজিটাল জামিননামা বা ই-বেইলবন্ড সেবা সম্প্রসারণের চতুর্থ ধাপে দেশের নতুন আরও ১২টি জেলায় এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক ভার্চুয়াল উদবোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়।


আদালতের আঙিনায় বিচারপ্রার্থী মানুষের দীর্ঘদিনের হয়রানি বন্ধে সরকারের অঙ্গীকার তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, পূর্বে একটি জামিন আদেশ বাস্তবায়নে আদালত থেকে কারাগার পর্যন্ত পৌঁছাতে প্রায় ডজনখানেক জটিল ধাপ পার হতে হতো। বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে আইনজীবীরা তাদের সুবিধাজনক স্থান থেকে স্মার্টফোনের সহায়তায় এক ক্লিকেই জামিননামা জমা দিতে পারছেন। ইতিপূর্বে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে নারায়ণগঞ্জে এর পরীক্ষামূলক সূচনা এবং পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়াসহ কয়েকটি জেলায় চালুর পর এখন পর্যন্ত ১৬টি জেলায় ১ লাখ ২০ হাজারের বেশি জামিননামা ডিজিটাল উপায়ে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। নতুন এলাকাগুলো যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে মোট ২৮টি জেলা এ সুবিধার আওতায় এল এবং অবশিষ্টাংশেও কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি চলছে।

মামলার জট নিরসনে বিচারক ও আইনজীবী সমিতির নেতাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কারাবন্দীদের আপসযোগ্য বিষয়গুলো লিগ্যাল এইডের মাধ্যমে দ্রুত ফয়সালা করা প্রয়োজন। তুচ্ছ বিষয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মামলা ঝুলিয়ে রাখলে রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের পাশাপাশি মূল অপরাধীরা রেহাই পেয়ে যায়। এ লক্ষ্যে আগামী এক বছরের মধ্যে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে যে সকল জেলা সবচেয়ে বেশি মামলা কমাতে সক্ষম হবে, তাদের সরকারিভাবে বিশেষ পুরষ্কার প্রদান করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

আইন ও বিচার বিভাগের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত সচিব খাদেমুল কায়েসের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এতে পটুয়াখালীর সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. শহিদুল্লাহ্, কক্সবাজারের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিউল আযম, চাঁদপুর জেলা বারের সভাপতি মো. শামসুল ইসলাম এবং ঠাকুরগাঁওয়ের জেল সুপার মো. মাসুদুর রহমান অনলাইনে যুক্ত হয়ে মতামত ব্যক্ত করেন।