জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্মতারিখ সংশোধন আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা, সিনিয়র জেলা বা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং এনআইডি উইংয়ের সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালকরা এ সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করতে পারবেন। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন্স) মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরে এ বিষয়ে একটি স্পষ্ট নির্দেশনামা প্রকাশ করা হয়েছে।
জারিকৃত পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, অনলাইনে যাচাই করার সুযোগ থাকা জেএসসি, এসএসসি বা সমমানের শিক্ষা সনদের মাধ্যমে জমা হওয়া আবেদনগুলো 'ক' ক্যাটাগরি হিসেবে গণ্য হবে। এগুলো সংশ্লিষ্ট মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিষ্পত্তি করবেন। প্রমানপত্র গ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান পূর্ব নির্ধারিত নিয়মাবলী বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে ইলেকট্রনিক উপায়ে আবেদন গ্রহণ কিংবা নামঞ্জুর করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সফটওয়্যারে অবশ্যই ব্যাখ্যা বা নোট যুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তাদের কাজের সঠিকতা নিশ্চিতে মনিটরিং ব্যবস্থার কথা জানানো হয়েছে। আঞ্চলিক ও অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ কর্মচারীদের সম্পাদন করা কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রতি মাসে প্রতিটি কর্মকর্তার নিষ্পত্তি করা ফাইলের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে অন্তত তিনটি আবেদন সঠিকভাবে যাচাই হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করে একটি প্রতিবেদন সরাসরি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে।
তবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার কাগজপত্র দিয়ে জন্মতারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি এবং মূল নামসহ মা-বাবার নামের সার্বিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রগুলো কেবল মহাপরিচালক পর্যায়ে ফয়সালা হবে। পাশাপাশি কোনো নির্দিষ্ট তথ্যে দ্বিতীয়বারের মতো পূর্ণাঙ্গ পরিবর্তনের আবেদন গ্রহণ করা যাবে না বলেও এতে স্পষ্ট করা হয়।


