সোমবার, 19 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে সংশয় উড়িয়ে দিল সরকার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাকি আর মাত্র তিন সপ্তাহ। নির্বাচন কমিশনের পূর্বঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। বুধবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও জনমনে এখনো একটি মৌলিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে— নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন কি আদৌ হবে? সাধারণ মানুষের এই সংশয় নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ভোট পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন নিয়ে সংশয় উড়িয়ে দিল সরকার
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাকি আর মাত্র তিন সপ্তাহ। নির্বাচন কমিশনের পূর্বঘোষিত তফশিল অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে একযোগে ভোটগ্রহণ হওয়ার কথা। বুধবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও জনমনে এখনো একটি মৌলিক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে— নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন কি আদৌ হবে? সাধারণ মানুষের এই সংশয় নিরসনে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, ভোট পেছানোর কোনো সুযোগ নেই।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে এক ধরনের শৈথিল্যের ধারণা থেকে জনগণের মধ্যে এই দ্বিধা তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, নির্বাচনী সহিংসতা হলে তা ভোট বানচালের কারণ হতে পারে। তবে ভিন্ন এক মতানুসারে, পলাতক বা ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক শক্তির মদতপুষ্ট গুজব ও প্রোপাগান্ডাও এই সংশয় সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে। মাঠপর্যায়ের ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে এক ধরনের কৌতূহল ও অনিশ্চয়তা কাজ করলেও প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক পাওয়ার পর ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

বুধবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, পতিত স্বৈরাচারের দোসররা দেশে ও বিদেশে বসে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে বিভ্রান্তি বা কনফিউশন ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, সরকার নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারি তারিখেই ভোটগ্রহণে বদ্ধপরিকর এবং এর জন্য সকল প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে।

এর আগে গত সোমবারও তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন যে, সরকার নির্ধারিত দিনে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার দিতে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। নির্বাচনী প্রচারণা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট নিয়ে অপতথ্য বা গুজব প্রতিরোধে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে এবং ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনসহ প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েরিহি