বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ ফ্লাইট বাতিল

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় সৃষ্ট যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ১৬ মার্চ পর্যন্ত দীর্ঘ দুই সপ্তাহে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের মোট ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মূলত ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

১৭ দিনে ঢাকায় ৫২৮ ফ্লাইট বাতিল
ছবিঃ সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় সৃষ্ট যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির জেরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে এসেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আজ ১৬ মার্চ পর্যন্ত দীর্ঘ দুই সপ্তাহে ঢাকা থেকে বিভিন্ন গন্তব্যের মোট ৫২৮টি ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মূলত ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দেওয়ায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতের শুরুর দিন অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা শুরু হয়। ওই দিন ২৩টি ফ্লাইট বাতিল হলেও পরবর্তী দিনগুলোতে এর মাত্রা আরও বেড়ে যায়। পরিসংখ্যান বলছে, ২ মার্চ সর্বোচ্চ ৪৬টি এবং ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়। এছাড়া ৩ মার্চ ৩৯টি, ৫ মার্চ ৩৬টি এবং ১০ মার্চ ৩২টি ফ্লাইট তালিকায় যুক্ত হয়। মাসের মাঝামাঝি সময়ে এসেও পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি; গত ১১ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন গড়ে ২৫ থেকে ২৮টি করে ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

সর্বশেষ গতকাল রোববার (১৫ মার্চ) মধ্যরাতের পর থেকেও এই সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। এদিন কুয়েত এয়ারওয়েজ, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস ও গালফ এয়ারের মতো বড় সংস্থাগুলোসহ এয়ার অ্যারাবিয়া ও জাজিরা এয়ারওয়েজের বেশ কিছু ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এছাড়া দেশীয় সংস্থা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইটও স্থগিত করা হয়েছে। একদিনেই সব মিলিয়ে মোট ২৮টি নির্ধারিত যাত্রা বাতিল হয়েছে।

টানা ফ্লাইট বাতিলের এই সরাসরি প্রভাব পড়ছে মধ্যপ্রাচ্যগামী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ওপর। হাজার হাজার প্রবাসী কর্মী বিমানবন্দরে এসে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ পর্যায়ে থাকায় কর্মস্থলে ফেরা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত আকাশপথে এই স্থবিরতা দূর হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ।