গত ২৪ ঘণ্টায় লেবাননের বিভিন্ন প্রান্তে হিজবুল্লাহর ২০০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে ভয়াবহ বিমান হামলা চালানোর দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। দেশটির সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন জানিয়েছেন, দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর সামরিক সক্ষমতা ও অবকাঠামো গুঁড়িয়ে দিতে তাদের এই আকাশপথের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ইসরায়েলের এই অব্যাহত সামরিক তৎপরতা পাকিস্তানের ইসলামাবাদে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উচ্চপর্যায়ের শান্তি সংলাপে নতুন করে অস্থিরতা ও উত্তেজনা তৈরি করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বর্তমানে যে যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তার সুফল লেবাননের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হওয়া জরুরি। তবে ইসরায়েলের এই ধারাবাহিক আক্রমণ শান্তি প্রক্রিয়ার অগ্রগতিকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিনিধি ওসামা বিন জাভেদ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছেন, পর্দার আড়ালের কূটনৈতিক তৎপরতার ফলে ইসরায়েলি হামলাকে দক্ষিণ লেবাননের নির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার বিষয়ে সামান্য অগ্রগতির আভাস পাওয়া যাচ্ছে।
ইসলামাবাদের আলোচনার টেবিলে এই বিষয়টি এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সংলাপের চূড়ান্ত সফলতা অনেকটাই নির্ভর করছে আঞ্চলিক এই উত্তেজনা প্রশমনের ওপর। বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি ধরে রাখা এবং সংঘাতের বিস্তার রোধ করাই এখন শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।