সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলসীমার ওপর একটি ইরানি আক্রমণাত্মক ড্রোন ধ্বংস করার পর ঘটনাটিকে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও উসকানিমূলক বলে অভিহিত করেছে আবুধাবি।
উদ্ভূত পরিস্থিতে তেহরানের প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে যেকোনো মূল্যে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার অঙ্গীকার করেছে দেশটি। সোমবার এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে দেশটির পররাষ্ট্র দফতর থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, জাতীয় নিরাপত্তার ওপর এমন হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এই ধরনের শত্রুতামূলক আচরণের বিপরীতে আইনি ও সামরিক সব উপায়ে জবাব দেওয়ার একচ্ছত্র একতিয়ার তাদের হাতে রয়েছে।
এর পূর্বে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি তোলা হয়েছিল যে, লারাক দ্বীপে ওয়াশিংটনের চালানো আগ্রাসনের পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তারা জর্ডান ছাড়াও আমিরাতের আল মিনহাদ সেনাঘাঁটিতে চালকহীন বিমান হামলা সম্পন্ন করেছে। তবে এই বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে আমিরাত কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, দেশটির ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে অবস্থিত কোনো প্রতিরক্ষা স্থাপনায় আঘাত হানার তথ্যটি কাল্পনিক। মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিখুঁত নজরদারিতে ড্রোনটি উপকূলীয় জলসীমার ওপর অবস্থানকালেই সফলভাবে নিষ্ক্রিয় ও ধ্বংস করা সম্ভব হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যখন মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক, ঠিক সেই মুহূর্তে আমিরাতের নিরাপত্তা বলয়ে এই অনুপ্রবেশ অঞ্চলটিকে তীব্র সামরিক ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিল। সমুদ্রসীমায় ঘটে যাওয়া এই অস্থিতিশীল ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমগ্র ভূখণ্ডে নতুন করে ব্যাপক পরিসরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকট হয়ে উঠছে।