প্রকাশিত বার্তায় তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন নিরাপত্তা কৌশল রচনা এবং যৌথ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়ে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর নিকট হতে ইরানের কাছে বহু ইতিবাচক বার্তা এসেছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটন কেবল ইসরায়েলের সুবিধা নিশ্চিতে মনোনিবেশ করে তাদের সকল মিত্রদের মূল স্বার্থকে উপেক্ষা করেছে। বলপ্রয়োগের রাজনীতির মাধ্যমে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তাকে এমন সংকটে ফেলে দেওয়া হয়েছে, যার দরুন ওই রাষ্ট্রগুলো নিজেদের অস্তিত্ব নিয়ে সাময়িকভাবে অনিশ্চয়তায় পড়েছিল।
আঞ্চলিক স্থায়িত্ব প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, বহিরাগত শক্তির অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপের পরিবর্তে স্বাধীন আঞ্চলিক উদ্যোগই কেবল এই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একক মাধ্যম হতে পারে। উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের ভূখণ্ডে যেকোনো বিদেশি সামরিক উপস্থিতি ও তাদের কর্তৃত্বের বিরুদ্ধে ইরান শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান বজায় রেখে আসছে।