ফেসবুকসহ অন্যান্য ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ নিয়ে নেতিবাচক, কুরুচিপূর্ণ কিংবা উসকানিমূলক মন্তব্য প্রচার না করার জন্য মাদরাসার সঙ্গে যুক্ত শিক্ষক ও কর্মীদের কড়া বার্তা দিয়েছে মাদরাসা শিক্ষা অধিদফতর।
সোমবার ২ নভেম্বর অধিদফতরের পরিচালক মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খান স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক আদেশের মাধ্যমে এই বিধিনিষেধ জারি করা হয়।
প্রকাশিত ওই দাপ্তরিক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেশ কিছুদিন ধরে এমপিওভুক্ত বেসরকারি মাদরাসাগুলোর কয়েকজন শিক্ষক তাদের নিজস্ব প্রোফাইল এবং নানা অনলাইন কমিউনিটিতে কর্তৃপক্ষের গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর সমালোচনা করে শিষ্টাচারহীন ও উত্তেজনাকর মতামত প্রকাশ করছেন। এমন অবাঞ্ছিত আচরণের ফলে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অন্য শিক্ষকদের মাঝে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সর্বোপরি এমন দায়িত্বহীন কার্যকলাপ অধিদফতরের মর্যাদাকেও চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
আদেশে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অপতৎপরতা ২০১৯ সালে প্রণীত সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। তাছাড়া, ২০২৬ সালের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালার আওতায় এ ধরনের কাজকে রীতিমতো দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষক ও কর্মীকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ জাতীয় আপত্তিকর লেখালেখি এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে থাকার চূড়ান্ত নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।