শনিবার (১ আগস্ট) অপরাহ্নে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক পরিবেশ ও চিকিৎসাসেবা পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে চিকিৎসাসেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে জনগণের নিকট প্রদত্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে কেবল সরকারেরই পতন ঘটবে না, বরং চিকিৎসকদের অবস্থাও সংকটাপন্ন হয়ে পড়বে। কেউ নিজ গৃহে কিংবা কর্মস্থলে নিরাপদ অবস্থান বজায় রাখতে পারবেন না, কারণ প্রত্যেকের দায়িত্ব ও কর্মকাণ্ডের চিত্র সকলের নিকট পরিষ্কার।
দেশের চিকিৎসাসেবার পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতীয় স্বাস্থ্য খাতকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া যাবে না। সর্বস্তরের সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা জরুরি। দেশকে প্রগতির পথে এগিয়ে নিতে চিকিৎসক সমাজকে কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করতে হবে।
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারীদের ভূমিকার মূল্যায়ন করে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বহির্বিশ্বে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী রেমিট্যান্স না পাঠালে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিঃশেষ হয়ে যেত। এর ফলে দেশের সাধারণ মানুষের আহার ও বেতনভাতা প্রাপ্তি অনিশ্চয়তায় পড়ত। তাই দেশের তরুণ সমাজকে সুঠাম, কর্মক্ষম ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা বিশ্বমঞ্চে নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রাখতে পারে।