গুলশান ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টিওএবি) সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালনা পর্ষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মূল বক্তা হিসেবে তিনি এই অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় অর্থনীতিতে এই শিল্পকে শক্ত ভিত্তি হিসেবে দাঁড় করানোর অভিপ্রায়ে একাধিক সুদূরপ্রসারী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নতুন দায়িত্ব নেওয়া পরিচালনা পর্ষদকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আধুনিক পর্যটন প্রসারে নতুন নেতৃত্ব কার্যকর অবদান রাখবে।
বক্তব্যে তিনি প্রকাশ করেন, সারা দেশের প্রায় দেড় হাজার দর্শনীয় স্থান চিহ্নিত করে একটি সর্বাঙ্গীন মহাপরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে, যা সামগ্রিক পর্যটন খাতের টেকসই পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত হবে।
বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারকে কেন্দ্র করে এই অঞ্চলকে নতুন পর্যটন হাব হিসেবে গড়ে তোলা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান। সম্প্রতি আধুনিকায়ন করা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক ভ্রমণকারীদের আকৃষ্ট করতে মুখ্য ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন মন্ত্রী।
পাশাপাশি, বিদেশে কর্মরত নাগরিকদের অবদানকে সম্মান জানাতে পর্যটন করপোরেশনের আবাসিক ব্যবস্থাগুলোতে বিশেষ হারের সুবিধা চালুর সিদ্ধান্তের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।
জাতীয় আয়ের নির্দিষ্ট অংশ তথা জিডিপিতে পর্যটন খাতের অংশীদারত্ব অন্তত ছয় থেকে সাত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা জানান মন্ত্রী। এই খাতে সঠিক তথ্যের প্রবাহ সুনিশ্চিত করতে দেশজুড়ে আধুনিক হিসাব পদ্ধতি চালুর পদক্ষেপে খাতসংশ্লিষ্ট সবার আন্তরিক সহযোগিতা চাওয়া হয়।
উক্ত আয়োজনে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি, প্রশাসনিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, টিওএবির নেতৃবৃন্দসহ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।