শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বন বিভাগের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল অজগর

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় চা-বাগানের অভ্যন্তরে একটি খরগোশ সাবাড় করার পর তা হজম করতে না পেরে উগরে দেয় এক অজগর শাবক। এই দৃশ্য দেখার পর স্থানীয় চা-শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা সাপটিকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা চালান। তবে শেষ মুহূর্তে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সময়োচিত হস্তক্ষেপে প্রাণ রক্ষা পায় অজগরটির।

বন বিভাগের হস্তক্ষেপে রক্ষা পেল অজগর
ছবি : সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় চা-বাগানের অভ্যন্তরে একটি খরগোশ সাবাড় করার পর তা হজম করতে না পেরে উগরে দেয় এক অজগর শাবক। এই দৃশ্য দেখার পর স্থানীয় চা-শ্রমিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা সাপটিকে পিটিয়ে মারার চেষ্টা চালান। তবে শেষ মুহূর্তে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের সময়োচিত হস্তক্ষেপে প্রাণ রক্ষা পায় অজগরটির।

মঙ্গলবার দুপুরের ঠিক আগে জুড়ী উপজেলার কাপনাপাহাড় চা-বাগানের ১১ নম্বর সেকশনে এই ঘটনাটি ঘটে। পরবর্তীতে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে সাপটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে পুঁটিছড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলের একটি পাহাড়ি ছড়ার পাশে অবমুক্ত করেন।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বাগানের কয়েকজন শ্রমিক প্রথমে অজগরটিকে একটি খরগোশ গিলতে দেখেন। কিন্তু কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পরই সাপটি সেই খরগোশটি মুখ থেকে বের করে দেয়। এই অদ্ভুত আচরণে ভয় পেয়ে উপস্থিত শ্রমিকেরা সাপটির ওপর চড়াও হওয়ার চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুঁটিছড়া বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাজন দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের শান্ত করেন এবং সাপটিকে নিজেদের হেফাজতে নেন।

এ প্রসঙ্গে জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সাদ উদ্দিন জানান, খাদ্যের অন্বেষণে বনাঞ্চল ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসা এই অজগরটি খরগোশ শিকার করলেও তা পরিপাক করতে ব্যর্থ হয়। বমি করার কারণে প্রাথমিক অবস্থায় সাপটি কিছুটা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়লেও, কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি আবার চঞ্চল হয়ে ওঠে। আনুমানিক পাঁচ ফুট দৈর্ঘ্যের এই বন্যপ্রাণীটিকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিতভাবে পুনরায় বনের গহীনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।