বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলারের সংঘর্ষে জেলে নিহত, নিখোঁজ ১

‎বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় দুটি ফিশিং ট্রলারের সংঘর্ষে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে এবং আরেকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনায় ১৫ জন জেলে সাগরে পড়ে গেলে আশপাশের ট্রলারের সহায়তায় ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলারের সংঘর্ষে জেলে নিহত, নিখোঁজ ১
ছবি : সংগৃহীত
‎বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় দুটি ফিশিং ট্রলারের সংঘর্ষে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে এবং আরেকজন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। দুর্ঘটনায় ১৫ জন জেলে সাগরে পড়ে গেলে আশপাশের ট্রলারের সহায়তায় ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
‎
‎সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিখোঁজ এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সেটি কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে অপর এক জেলের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি।
‎
‎নিহত জেলের নাম আক্তার আলম বাদশা (৫৫)। তিনি কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুং নয়াকাটা গ্রামের বাসিন্দা। নিখোঁজ জেলের নাম জিয়াবুল মোহাম্মদ হোসেন।
‎
‎স্থানীয় সূত্র ও ট্রলার মালিকের তথ্য অনুযায়ী, কুতুবদিয়ার উত্তর ধুরুং নয়াকাটা গ্রামের বাসিন্দা নাসির উদ্দিনের মালিকানাধীন ট্রলার এফবি নুরুন নাহার-১ গত শুক্রবার ১৫ জন জেলে নিয়ে সাগরে মাছ শিকারে যায়। রোববার দুপুরের আগে জেলেরা জাল তোলার কাজে ব্যস্ত থাকার সময় দ্রুতগতির একটি ফিশিং ট্রলার—এফবি হার্টি—নুরুন নাহার-১–কে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রলারটি মুহূর্তেই ডুবে যায় এবং জেলেরা সাগরে ছিটকে পড়েন। এ সময় আক্তার আলমের মৃত্যু হয় এবং জিয়াবুল মোহাম্মদ হোসেন নিখোঁজ হন।
‎
‎দুর্ঘটনার পর আশপাশে থাকা অন্যান্য ট্রলারের সহায়তায় ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়। নিহত ও উদ্ধার হওয়া জেলেরা সোমবার সকাল ৯টার দিকে উপকূলে পৌঁছান। পরে তাদের কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে উদ্ধার হওয়া জেলেদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
‎
‎এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুল হক বলেন, “সাগরে ফিশিং ট্রলারের ধাক্কায় ট্রলার ডুবে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।” তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।