বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী দেওয়ার কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে সরকার। রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ইমাম, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি : সংগৃহীত

দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জন্য মাসিক সম্মানী দেওয়ার কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করেছে সরকার। রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় ওসমানী মেমোরিয়াল অডিটোরিয়াম–এ আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদানের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চালু হওয়া এই উদ্যোগের আওতায় শুধু মসজিদের ধর্মীয় দায়িত্বশীলরাই নন, অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নেতারাও সম্মানী পাবেন। একই অনুষ্ঠানে মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত, বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার যাজকদের জন্যও সম্মানী কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বার্তায় জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকসহ সংশ্লিষ্ট ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা সম্মানী পাবেন।

পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হওয়া এ উদ্যোগে প্রতিটি মসজিদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন।

এছাড়া প্রতিটি মন্দিরের জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৮ হাজার টাকা। এই অর্থ থেকে পুরোহিত পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সেবায়েত পাবেন ৩ হাজার টাকা।

একইভাবে প্রতিটি বৌদ্ধবিহারের জন্যও ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকবে, যার মধ্যে বিহার অধ্যক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং উপাধ্যক্ষ ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্যদিকে প্রতিটি খ্রিস্টান চার্চের জন্য নির্ধারিত ৮ হাজার টাকা থেকে পালক বা যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী পালক বা যাজক পাবেন ৩ হাজার টাকা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার।