দিনাজপুর জেলায় এক দিনে দুই পৃথক উপজেলায় দুই এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার সদর ও চিরিরবন্দর উপজেলায় নিজ নিজ ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃত দুই শিক্ষার্থীই আগামী এপ্রিলে শুরু হতে যাওয়া মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৯টার দিকে চিরিরবন্দর উপজেলার ২ নং সাতনালা ইউনিয়নের বেসারতপাড়া গ্রামে প্রথম ঘটনাটি ঘটে। সেখানে হাবিবুর রহমানের মেয়ে মুনমুন (১৭) নিজের ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। সে সাতনালা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিল। অন্যদিকে, সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার ৬ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের করিমুল্লাপুর গ্রামে মিজানুর রহমানের মেয়ে ফাতেমা বেগম (১৭) একইভাবে নিজ বাড়িতে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। ফাতেমা করিমুল্লাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল।
দুই মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে ঠিক কী কারণে তারা আত্মহত্যার মতো চরম পথ বেছে নিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। দুই পরিবারের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিকভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো সম্ভব হয়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর নবী এবং চিরিরবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুন নবী জানান, দুই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি তারা অবগত আছেন। পুলিশ ঘটনা দুটির প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।