বুধবার, 28 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ঈদে ঘরমুখী মানুষের ঢল, বাস না পেয়ে কেউ কেউ ফিরছেন ট্রাকে

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গগামী মানুষ। এর ফলে যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার ভোর থেকেই সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। বাসের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষ সাশ্রয়ী যাতায়াতের বিকল্প হিসেবে পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।

ঈদে ঘরমুখী মানুষের ঢল, বাস না পেয়ে কেউ কেউ ফিরছেন ট্রাকে
ছবিঃ সংগৃহীত

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে উত্তরবঙ্গগামী মানুষ। এর ফলে যমুনা সেতুর পশ্চিম মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে। মঙ্গলবার ভোর থেকেই সেতুর পশ্চিম প্রান্ত থেকে হাটিকুমরুল গোলচত্বর পর্যন্ত রাস্তায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। বাসের পাশাপাশি নিম্ন আয়ের মানুষ সাশ্রয়ী যাতায়াতের বিকল্প হিসেবে পণ্যবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে করে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চল থেকে আসা ট্রাকে গাদাগাদি করে চড়ে বসছেন ঘরমুখো মানুষ। এসব ট্রাকে বিপুল সংখ্যক নারী ও শিশুর উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। গাজীপুরের চন্দ্রা থেকে সিরাজগঞ্জগামী এক যাত্রী জানান, বাসের সংকটের কারণে ৪০০ টাকা ভাড়ায় তিনি ট্রাকে উঠেছেন। অনেক গার্মেন্টস শ্রমিকও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে জীবনের ঝুঁকি থাকলেও কম খরচে বাড়ির উদ্দেশ্যে ট্রাকে যাত্রা করেছেন।

যাত্রীদের বড় একটি অংশের অভিযোগ, ঈদকে কেন্দ্র করে বাসের ভাড়া সাধারণ সময়ের তুলনায় দ্বিগুণ বা তিনগুণ আদায় করা হচ্ছে। সিরাজগঞ্জগামী বাসে যেখানে স্বাভাবিক সময়ে ৩৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়, সেখানে বর্তমানে ৭০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেন। তবে মহাসড়কে যানজট নিরসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্রিয় অবস্থান ও তৎপরতা যাত্রীদের কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত সোমবার একদিনেই সেতু দিয়ে ৩৫ হাজার ৬৫8টি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা থেকে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৮৪ লাখ ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা। এর মধ্যে ২০ হাজার ৭৫টি যানবাহন ছিল উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গ থেকে ঢাকামুখী এবং ১৫ হাজার ৫৮৩টি যানবাহন ছিল ঢাকা থেকে বহির্গামী।

সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন জানান, উত্তরের ২২ জেলার প্রধান যাতায়াত মাধ্যম হওয়ায় ঈদ উপলক্ষে যানবাহনের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। তবে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সেতুর দুই প্রান্তেই সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।