রক্তাক্ত এই হামলায় গুরুতর আহত ব্যক্তিরা হলেন মসজিদ পরিচালনা কমিটির সম্পাদক লোকমান হাকিম (৪৫) এবং স্থানীয় বাসিন্দা আলম মন্ডল (৫৫)। এদের মধ্যে লোকমান হাকিম উত্তর কাশিপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত জব্বার শেখের সন্তান এবং আলম মন্ডল একই এলাকার মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, মসজিদে তখন ফজরের জামাত চলছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ভেতরে প্রবেশ করে সরাসরি মসজিদ কমিটির সম্পাদক লোকমান হাকিমকে নিশানা করে গুলি চালায়।
এ সময় তার ঠিক পাশে নামাজে থাকা অন্য মুসল্লি আলম মন্ডলও গুলিবিদ্ধ হন। আকস্মিক এই হামলায় লোকমানের মাথায় গুলি লাগায় তিনি গুরুতরভাবে জখম হন। তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটজনক হওয়ায় উন্নত ও জরুরি চিকিৎসার লক্ষ্যে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
অন্যদিকে গুলিতে আলম মন্ডলের মাথা, গলার বাঁ দিক এবং ডান হাতের বাহু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনার পরপরই তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তার অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আব্দুর রাজ্জাক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এই নৃশংস হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যেই পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু করেছে। বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।