শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরান যুদ্ধে ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে বড় ধরনের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত তিন সপ্তাহে দেশটি অন্তত ১৬টি রণতরী ও সামরিক বিমান হারিয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সরঞ্জামের তালিকায় রয়েছে ১০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বাকি ৬টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী যান। উল্লেখ্য, প্রতিটি রিপার ড্রোনের বাজারমূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার।

ইরান যুদ্ধে ১৬টি সামরিক বিমান হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে বড় ধরনের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত তিন সপ্তাহে দেশটি অন্তত ১৬টি রণতরী ও সামরিক বিমান হারিয়েছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব সরঞ্জামের তালিকায় রয়েছে ১০টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং বাকি ৬টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী যান। উল্লেখ্য, প্রতিটি রিপার ড্রোনের বাজারমূল্য প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক তথ্যানুযায়ী, সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ঘটেছে কুয়েতে, যেখানে কুয়েতি সেনাবাহিনীর হাতে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। এছাড়া ইরাকের আকাশে জ্বালানি সংগ্রহের সময় একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সৌদি আরবের একটি ঘাঁটিতে অবস্থানকালে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আরও পাঁচটি একই মডেলের ট্যাংকার বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার ইরানের মিসাইল হামলার পর একটি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) নিশ্চিত করেছে যে, বিমানটি নিরাপদে নামতে সক্ষম হয়েছে এবং এর চালক সুস্থ আছেন। তবে সেন্টকমের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত খতিয়ান নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে।

এদিকে মার্কিন সামরিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মূলত চালকহীন ড্রোনগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে। এখন পর্যন্ত অন্তত নয়টি ড্রোন ইরানের আকাশসীমায় ধ্বংস হয়েছে এবং একটি জর্ডানে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পেন্টাগন এসব ড্রোনকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ব্যবহারের জন্য 'সহজে প্রতিস্থাপনযোগ্য' সরঞ্জাম হিসেবে বিবেচনা করলেও এত অল্প সময়ে বিপুল সংখ্যক বিমান হারানোকে নজিরবিহীন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যমটি আরও উল্লেখ করেছে যে, ২০১১ সালে লিবিয়া অভিযানের চার মাসে যুক্তরাষ্ট্র মাত্র তিনটি বিমান হারিয়েছিল। সেই তুলনায় মাত্র ২০ দিনের ব্যবধানে ১৬টি আকাশযান হারানো মার্কিন বিমান বাহিনীর জন্য একটি বড় ধরনের কৌশলগত বিপর্যয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।