ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর মাত্র প্রথম দুই দিনেই প্রায় ৫৬০ কোটি ডলার মূল্যের গোলাবারুদ ও সমরাস্ত্র ব্যবহার করেছে মার্কিন বাহিনী। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসেবে) যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৬৮ হাজার ৮৮০ কোটি টাকারও বেশি। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন সোমবার কংগ্রেসের উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে।
পেন্টাগনের দেওয়া এই হিসাবটি বর্তমানে মার্কিন রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু ক্যাপিটল হিলে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এত অল্প সময়ে বিশাল অঙ্কের এই ব্যয় এবং যে দ্রুতগতিতে অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুদ শেষ হচ্ছে, তা মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের ভাবিয়ে তুলেছে। বিশেষ করে ব্যয়বহুল দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের অত্যধিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
অ্যারিজোনার ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি এই পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, তেহরানের কাছে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের বিশাল এক ভাণ্ডার রয়েছে। সেই হামলা ঠেকাতে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের বিপুল পরিমাণ আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও নিখুঁত লক্ষ্যভেদী অস্ত্র ব্যবহার করতে হচ্ছে।
সিএনএন আরও জানিয়েছে, যুদ্ধের এই উচ্চব্যয় মেটাতে এবং সমরাস্ত্রের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনকে খুব শিগগির কংগ্রেসের কাছে জরুরিভিত্তিতে 'সম্পূরক তহবিল' বা অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের আবেদন করতে হবে। অন্যথায় দীর্ঘমেয়াদী এই অভিযানে অস্ত্রের ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।