ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির নিয়োগ দেশটির ‘নিজস্ব ব্যাপার’ বলে অভিহিত করে, তাকে হত্যার হুমকিকে অবৈধ এবং অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করেছে বেইজিং।
আজ সোমবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন সাংবাদিকদের বলেন, “ইরান তার সংবিধান মেনেই নতুন নেতাকে বেছে নিয়েছে।”
নতুন নেতার বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “কোনো অজুহাতেই অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো গ্রহণযোগ্য নয়। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সবার সম্মান জানানো উচিত।”
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি
গত ৪ মার্চ, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) পোস্ট করে আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরিকে হত্যা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি লিখেছেন, “ইরানের সন্ত্রাসী সরকার যদি নতুন কোনো নেতা নিয়োগ করে, যিনি আমাদের এবং এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করতে পারেন, তাকে নির্মূল করা হবে। তার নাম যা-ই হোক না কেন এবং তিনি যেখানেই লুকানো থাকুন না কেন, তাকে হত্যা করা হবে।”
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন কোনো নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকতে পারবেন না। ইরানের নতুন নেতাকে আমাদের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তিনি আমাদের অনুমোদন না পান, তাহলে তিনি বেশি দিন টিকবেন না।”
চীনের এই মন্তব্য সতর্কবার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে, যেখানে অন্য দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।