শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ছাড়ছেন বিদেশি কর্মীরা

নতুন করে সংকটের মুখে পড়তে পারে ইরান—এমন পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটির পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিদেশি কর্মীদের ধাপে ধাপে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিভিন্ন কেন্দ্র ছাড়ছেন তারা। এর অংশ হিসেবে সর্বশেষ একটি পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ১৭৫ জন রুশ কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ছাড়ছেন বিদেশি কর্মীরা

নতুন করে সংকটের মুখে পড়তে পারে ইরান—এমন পরিস্থিতির মধ্যেই দেশটির পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো থেকে বিদেশি কর্মীদের ধাপে ধাপে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিভিন্ন কেন্দ্র ছাড়ছেন তারা। এর অংশ হিসেবে সর্বশেষ একটি পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে ১৭৫ জন রুশ কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যারা ইতোমধ্যে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এতে বলা হয়, আর্মেনিয়ায় অবস্থিত রুশ দূতাবাস জানায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটমের কর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য মস্কো আর্মেনিয়াকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আর্মেনিয়ার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ৫০৯ জন রুশ নাগরিক দেশে ফিরে গেছেন।

জানা গেছে, বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের ওই কর্মীরা নুরদুজ-আগারাক সীমান্ত দিয়ে আর্মেনিয়ায় প্রবেশ করেন। পরে সোমবার একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা মস্কোর উদ্দেশে যাত্রা করেন।

এদিকে রোববার রোসাটমের প্রধান অ্যালেক্সেই লিখাচেভ বলেন, বুশেহরে কর্মরত অধিকাংশ রুশ নাগরিককে ইতোমধ্যে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বাকি কর্মীদেরও আগামী সপ্তাহে সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সুযোগ পেলে তিনি ইরানের তেল “নিয়ে নিতে” চাইতেন, তবে মার্কিন জনগণ যুদ্ধের সমাপ্তি দেখতে চায়—এ কারণেই তিনি তা করছেন না। সোমবার (৬ এপ্রিল) দ্য পলিটিকোর বরাতে ইয়াহু নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

হোয়াইট হাউসে বার্ষিক ইস্টার এগ রোল অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমার ইচ্ছা হলে আমি তেল রেখে দিতাম। কিন্তু আমি দেশের মানুষকে খুশি রাখতেও চাই।”