শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

জাল সনদে চাকরি, দুই শিক্ষক কারাগারে

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

জাল সনদে চাকরি, দুই শিক্ষক কারাগারে
ছবি : সংগৃহীত

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ভুয়া শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংশ্লিষ্ট উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার ওই দুই শিক্ষক আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের প্রার্থনা করলে বিচারক তা নাকচ করে দেন।

কারাগারে পাঠানো অভিযুক্তরা হলেন ওই মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মো. অলি উল্লাহ এবং জুনিয়র শিক্ষক সুলতানা পারভীন। অলি উল্লাহর আদি নিবাস ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামে এবং সুলতানা পারভীন স্থানীয় মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অলি উল্লাহ ও আবু সালেহ নামের দুজন প্রভাষক পদে এবং সুলতানা পারভীন জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে জাল সনদ দাখিলের মাধ্যমে উক্ত মাদ্রাসায় নিয়োগ পান। প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে এলে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ নেত্রকোনা আদালতে একটি এজাহার দায়ের করেন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা নথিভুক্ত করার জন্য কেন্দুয়া থানাকে নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশ অনুযায়ী সেদিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং পুলিশি তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিজ্ঞ বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এ বিষয়ে আইনজীবী নুরুল আলম জানান, জাল সনদের মাধ্যমে শিক্ষকতা করা একটি চরম অনৈতিক ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে আদালত তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তবে মামলার অপর অভিযুক্ত আবু সালেহ এখনো পলাতক রয়েছেন।