শনিবার অপরাহ্নে রাজধানীর মহাখালী কলেরা হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াত আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।
বর্তমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রশাসনিক ও বিচার বিভাগে দুর্বলতার কারণে ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা আদালত থেকে সহজেই মুক্ত পেয়ে যাচ্ছে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের নামে চক্রান্তকারীদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করা হলে ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতায় আঘাত আসবে, যা দেশবাসী মেনে নেবে না।
জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে ক্ষমতাসীনদের স্মরণে করিয়ে দিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি আন্দোলনের সুফল ভোগ করলেও তা অস্বীকারের প্রবণতা দেখাচ্ছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট ভুললে চলবে না।
সরকারের কাছে নিজের দাবি পেশ করে গোলাম পরওয়ার জানান, জনরায়ের প্রতিফলনে সংসদে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈঠক ডেকে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে এবং তা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সাংবিধানিক উপায়ে রাজনৈতিক জটিলতার নিরসন না হলে বাধ্য হয়ে রাজপথেই সব ফয়সালা করা হবে।
প্রতিবাদ সমাবেশ সমাপ্ত হওয়ার পর একটি গণমিছিল মহাখালী থেকে শুরু হয়ে তেজগাঁওয়ের তিব্বত মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। উক্ত কর্মসূচির কারণে মহাখালী সংলগ্ন প্রধান সড়কে কয়েক ঘণ্টা তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে পথচারীদের চলাচলে সাময়িক ভোগান্তি তৈরি হয়।