সোমবার, 26 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

জ্বালানি সাশ্রয়ে স্বাধীনতা দিবসে কোনো আলোকসজ্জা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে এবারের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশজুড়ে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

জ্বালানি সাশ্রয়ে স্বাধীনতা দিবসে কোনো আলোকসজ্জা হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবিঃ সংগৃহীত

জ্বালানি সাশ্রয় ও সরকারি কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে এবারের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে দেশজুড়ে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঈদুল ফিতর ও স্বাধীনতা দিবসের আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতি বছর জাতীয় দিবসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ঐতিহ্যগতভাবে যে আলোকসজ্জা করা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার তা পরিহার করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তিনি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ত্যাগ স্বীকারে সবার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান। একই সাথে আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। বিশেষ করে পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য পাওনা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিকে এই পুরো প্রক্রিয়ার তদারকিতে সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত মব কালচার বা গণপিটুনি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এ ধরনের অপসংস্কৃতি দমনে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন যেকোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ বা মব মোকাবিলার জন্য বাহিনীগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকা সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা গেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতি বছর জাতীয় দিবসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ঐতিহ্যগতভাবে যে আলোকসজ্জা করা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এবার তা পরিহার করার বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। তিনি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ত্যাগ স্বীকারে সবার প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান। একই সাথে আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসটি অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে সরকারের গৃহীত পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন মন্ত্রী। বিশেষ করে পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিকদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য পাওনা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে মালিক পক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিকে এই পুরো প্রক্রিয়ার তদারকিতে সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নিয়েছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত মব কালচার বা গণপিটুনি সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, এ ধরনের অপসংস্কৃতি দমনে সরকার অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে এমন যেকোনো বিচ্ছিন্ন অপরাধ বা মব মোকাবিলার জন্য বাহিনীগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকা সংগঠনগুলোর যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য তৎপরতা দেখা গেলে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন।