ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের লক্ষ্যবস্তু করার সরাসরি হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ফার্সি ভাষায় দেওয়া এক পোস্টে তারা এই হুঁশিয়ারি দেয়। বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইসরায়েল বর্তমানে ইরানের শীর্ষ নেতাদের গতিবিধির ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখছে। তারা কোথায় বৈঠক করছেন বা কার সাথে যোগাযোগ করছেন, তার সব তথ্যই ইসরায়েলের কাছে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। খামেনির পর যারা দেশটির নেতৃত্বে আসার দৌড়ে থাকবেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে আইডিএফ।
মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইতালি। ইতালির একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মেলোনিকে একজন মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরান বিরোধী এই লড়াইয়ে ইতালি তাদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করার চেষ্টা করছে।
এর আগে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ঘোষণা করেছিলেন যে, ইরানের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হামলার মুখে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তারা উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানোর পরিকল্পনা করছেন। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের মিত্রদের সুরক্ষা দিতেই রোম এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইতালির নৌবাহিনীও তাদের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ইউরোপীয় যৌথ নিরাপত্তা মিশনের অংশ হিসেবে একটি ইতালীয় নৌযানকে জরুরি ভিত্তিতে সাইপ্রাসের উদ্দেশে পাঠানোর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ভূমধ্যসাগর ও মধ্যপ্রাচ্য সংলগ্ন জলসীমায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই নৌযান মোতায়েন করা হচ্ছে।