শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

কুয়েতের সরকারি ভবন-তেলের ডিপোতে ড্রোন হামলা, বড় আগুন

কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং দুটি তেলের ডিপোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার ফলে তেলের ডিপোগুলোতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি (কুনা) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

কুয়েতের সরকারি ভবন-তেলের ডিপোতে ড্রোন হামলা, বড় আগুন
ছবিঃ সংগৃহীত

কুয়েতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দপ্তর এবং দুটি তেলের ডিপোতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এই হামলার ফলে তেলের ডিপোগুলোতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। কুয়েতের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুয়েত নিউজ এজেন্সি (কুনা) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল কুয়েতের সামাজিক নিরাপত্তা বিভাগের ২২ তলা সদর দপ্তর ভবনে ড্রোন আঘাত হানে। এতে ভবনটিতে আগুন ধরে যায় এবং স্থাপনাটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। হামলার পরপরই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সদর দপ্তর ও এর আশপাশের ভবনগুলো থেকে কর্মী ও নিরাপত্তা প্রহরীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি নথিগুলো নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

একই সময়ে কুয়েতের দুটি তেলের ডিপোতেও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত এই ডিপোগুলোতে হামলার ফলে বিকট বিস্ফোরণ ও আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের তীব্রতা বেশি হওয়ায় তা পার্শ্ববর্তী বিমানবন্দর এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। কুয়েতের ফায়ার সার্ভিস বিভাগ জানিয়েছে, সরকারি ভবন ও তেলের ডিপোর এই ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে তাদের কর্মীরা নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতির নেপথ্যে রয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক ব্যর্থতা। ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা ২১ দিন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে আলোচনা চললেও কোনো সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। এর পরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইসরায়েলও দেশটিতে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে অভিযান পরিচালনা করে।

মূলত এই যৌথ সামরিক অভিযানের পাল্টা জবাব হিসেবেই ইরান মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি এবং মিত্র দেশগুলোর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।